মঙ্গলবার ১১ আগস্ট ২০২৬ - ১৩:২২
ঐতিহাসিক স্মৃতি সংরক্ষণই শত্রুর সাংস্কৃতিক অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে প্রতিরোধক

হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলেমিন গোলাম আলী সাফায়ি বুশেহরি বিপ্লবী ঘটনাবলির স্মৃতি মুছে দেওয়ার জন্য শত্রুর পরিকল্পিত প্রচেষ্টার বিষয়ে সতর্ক করে বলেছেন, ‘আইয়ামুল্লাহ’ বা আল্লাহর বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ দিনগুলোর সঠিক ব্যাখ্যা ও তথ্যনির্ভর দলিলীকরণ সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের সম্মুখসারির লড়াই।

হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, আজ সকালে বুশেহর প্রদেশের ইসলামী প্রচার সমন্বয় পরিষদের প্রধানের সঙ্গে এক বৈঠকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতার বুশেহর প্রদেশের প্রতিনিধি ও বুশেহরের জুমার নামাজের ইমাম হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলেমিন গোলাম আলী সাফায়ি বুশেহরি ঐতিহাসিক ও বিপ্লবী দিবসগুলো সংরক্ষণ ও ব্যাখ্যা করার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

তিনি বলেন, ‘আইয়ামুল্লাহ’ সংরক্ষণ ও ব্যাখ্যা করা নতুন প্রজন্মের কাছে ইসলামী বিপ্লবের আদর্শ, মূল্যবোধ ও শিক্ষাগুলো পৌঁছে দেওয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপায় এবং এসব ঘটনা ভুলিয়ে দেওয়ার শত্রুর প্রচেষ্টার মোকাবিলার একটি কার্যকর মাধ্যম।

তিনি বলেন, প্রতিটি জাতির ইতিহাসে এমন বহু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা রয়েছে, যেগুলো নতুন আন্দোলনের সূচনা এবং ঐতিহাসিক শিক্ষার সংরক্ষণের উৎস হতে পারে। পবিত্র কোরআনেও ‘আইয়ামুল্লাহ’ স্মরণ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

বুশেহর প্রদেশের সর্বোচ্চ নেতার প্রতিনিধি বলেন, ‘আইয়ামুল্লাহ’ হলো গুরুত্বপূর্ণ ও ভাগ্যনির্ধারক দিন, যেগুলো যথাযথভাবে পালন, স্মরণ ও ব্যাখ্যা করা উচিত, যাতে ওই সময়ের আদর্শ ও মূল্যবোধ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য শিক্ষা, শিক্ষা গ্রহণের উপাদান ও অনুসরণীয় আদর্শে পরিণত হয়।

হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলেমিন সাফায়ি বুশেহরি বলেন, শত্রু সবসময় জাতিগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ও ভাগ্যনির্ধারক ঘটনাগুলো তাদের ঐতিহাসিক স্মৃতি থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করে। তিনি বলেন, শত্রু জনগণের মন থেকে ‘আইয়ামুল্লাহ’-এর স্মৃতি মুছে দিতে চায় এবং এর বিপরীতে এমন দিবস ও সংস্কৃতির প্রচার করে, যেগুলো তাদের কাঙ্ক্ষিত মূল্যবোধ বহন করে।

পশ্চিমা ও অন্যান্য দেশে প্রচারিত বিভিন্ন উৎসব ও দিবসের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নৈতিক অবক্ষয় ও মূল্যবোধবিরোধী বিষয়সমৃদ্ধ দিবসগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরার মাধ্যমে শত্রু তরুণ প্রজন্মের সাংস্কৃতিক রুচি পরিবর্তন করতে চায়। ইসলামী বিপ্লবের বিরুদ্ধেও তারা একই নীতি অনুসরণ করছে।

বুশেহর প্রদেশের সর্বোচ্চ নেতার প্রতিনিধি বলেন, ইসলামী বিপ্লবের আদর্শ ও শিক্ষাগুলো সংরক্ষণ, সুরক্ষা এবং নতুন প্রজন্মের কাছে ব্যাখ্যা করা জরুরি। এটি শত্রুর সাংস্কৃতিক ও গণমাধ্যমভিত্তিক আগ্রাসন মোকাবিলার অন্যতম উপায়।

ইসলামী প্রচার সমন্বয় পরিষদের ভূমিকার ওপর জোর দিয়ে হুজ্জাতুল ইসলাম সাফায়ি বুশেহরি বলেন, এই পরিষদের দুটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দায়িত্ব রয়েছে-প্রথমত, ‘ব্যাখ্যার জিহাদ’ এবং দ্বিতীয়ত, শত্রুর আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ‘প্রতিরোধের জিহাদ’।

তিনি বলেন, বিপ্লবী দিবসগুলো পালন এবং সমাজের ঐতিহাসিক স্মৃতি সংরক্ষণ একটি কৌশলগত, পেশাদার ও সুপরিকল্পিত কাজ। এ ক্ষেত্রে ইসলামী প্রচার সমন্বয় পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

২২ বাহমান বা ১১ ফেব্রুয়ারির মিছিলের গুরুত্ব তুলে ধরে বুশেহরের জুমার ইমাম বলেন, প্রতি বছর ২২ বাহমানের মতো দিবস পালন ও ব্যাখ্যা করা না হলে ধীরে ধীরে এসব ঘটনা সমাজের স্মৃতি থেকে মুছে যাবে এবং নতুন প্রজন্ম ইসলামী বিপ্লবের বিজয়ের আদর্শ ও মূল্যবোধ সম্পর্কে সঠিক ধারণা হারাবে।

তিনি আরও বলেন, একটি পরিবার যদি পূর্ববর্তী প্রজন্মের স্মৃতি ধরে রাখার জন্য কোনো অনুষ্ঠান বা নিদর্শন না রাখে, তাহলে সময়ের সঙ্গে পূর্বপুরুষদের সম্পর্কে তথ্য হারিয়ে যায়। একইভাবে কোনো জাতির ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো নিয়মিত স্মরণ, ব্যাখ্যা ও দলিলীকরণ করা না হলে সেগুলোও সমাজের ঐতিহাসিক স্মৃতি থেকে মুছে যাবে।

বুশেহর প্রদেশের ইসলামী প্রচার সমন্বয় পরিষদের কার্যক্রমের প্রশংসা করে হুজ্জাতুল ইসলাম সাফায়ি বুশেহরি বলেন, এই প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিবসে এবং এমনকি ১২ দিনের যুদ্ধের সময়ও সক্রিয় ছিল। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের, বিশেষ করে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসির সহযোগিতায় তারা কার্যকর বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, উপস্থাপিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাতীয় কর্মসূচিতে জনগণের অংশগ্রহণের দিক থেকে বুশেহর প্রদেশ তেহরান ও খোরাসান রেজাভির মতো বড় প্রদেশগুলোর সঙ্গে অবস্থান করছে। প্রায় ১২ লাখ ৫০ হাজার জনসংখ্যার একটি প্রদেশের জন্য এটি উল্লেখযোগ্য অবস্থান।

বুশেহর প্রদেশের সর্বোচ্চ নেতার প্রতিনিধি বলেন, জনগণের এই উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ বিপ্লবী ও জাতীয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে বুশেহরের জনগণের সক্রিয় ভূমিকার প্রমাণ। এই সক্ষমতাকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে।

তিনি প্রাদেশিক দিবসগুলোর একটি পূর্ণাঙ্গ ক্যালেন্ডার তৈরির ওপর জোর দিয়ে বলেন, জাতীয় ক্যালেন্ডারের পাশাপাশি প্রাদেশিক ইসলামী প্রচার সমন্বয় পরিষদের একটি সুনির্দিষ্ট প্রাদেশিক ক্যালেন্ডারও থাকা উচিত। এতে প্রদেশের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও বিপ্লবী দিবসগুলো নির্ধারণ করতে হবে।

তিনি বলেন, এই ক্যালেন্ডারে রাইস আলী দেলভারি শহীদ হওয়ার বার্ষিকী এবং প্রদেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনার মতো দিবসগুলো অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে প্রতিটি দিবস পালন, প্রচার ও তথ্যপ্রচারের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব আগেই নির্ধারণ করা উচিত।

সাংস্কৃতিক ও স্মারকভিত্তিক কর্মসূচির জন্য আর্থিক সংস্থান নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি সমস্যা হলো ইসলামী প্রচার সমন্বয় পরিষদের জন্য নির্দিষ্ট বাজেট বরাদ্দ না থাকা। তাই জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করে অনুমোদিত কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিভিন্ন বাজেট খাতের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।

তিনি বলেন, জেলা প্রশাসকরা নির্ধারিত ক্যালেন্ডার ও দায়িত্বের ভিত্তিতে সাংস্কৃতিক ও বিপ্লবী কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য চলতি বাজেট এবং জেলার অন্যান্য আইনসম্মত আর্থিক উৎসের একটি অংশ বরাদ্দ করতে পারেন।

হুজ্জাতুল ইসলাম সাফায়ি বুশেহরি মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) থেকে প্রাপ্ত রাজস্বের বরাদ্দ ব্যবহারের সম্ভাবনাকেও অর্থায়নের একটি উপায় হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, প্রাদেশিক ব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনা সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে বিদ্যমান সক্ষমতাগুলো চিহ্নিত করতে হবে এবং জেলার প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থ বরাদ্দ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, পার্স বিশেষ অর্থনৈতিক-জ্বালানি অঞ্চলও প্রদেশের সাংস্কৃতিক ও বিপ্লবী কর্মসূচিতে সহায়তার একটি গুরুত্বপূর্ণ সক্ষমতা। প্রদেশের দক্ষিণাঞ্চলের দেইর, জাম, কেঙ্গান ও আসালুয়েহসহ বিভিন্ন জেলা এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারে।

বুশেহর প্রদেশের সর্বোচ্চ নেতার প্রতিনিধি জোর দিয়ে বলেন, ইসলামী প্রচার সমন্বয় পরিষদের উচিত প্রদেশে অর্থায়নের সব উৎস চিহ্নিত করা এবং এসব সক্ষমতা সঠিকভাবে ব্যবহারের জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন করা।

তিনি বলেন, প্রদেশের কর্মকর্তাদের সক্ষমতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের সঙ্গে বিশেষায়িত বৈঠক করা প্রয়োজন, যাতে সাংস্কৃতিক ও স্মারকভিত্তিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিভিন্ন বাজেট খাত ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

বুশেহরের জলবায়ু এবং আর্দ্রতার কারণে ইলেকট্রনিক সরঞ্জামের ওপর বিরূপ প্রভাবের কথা উল্লেখ করে হুজ্জাতুল ইসলাম সাফায়ি বুশেহরি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বিকল্প সরঞ্জামের ব্যবস্থা রাখার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ের কর্মসূচি ও মিছিলের ক্ষেত্রে সবসময় সম্ভাব্য সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিতে হবে এবং আগে থেকেই তার জন্য প্রস্তুতি রাখতে হবে।

তিনি প্রদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক প্রয়োজন হিসেবে কর্মসূচি ও ঘটনাবলির দলিলীকরণের কথা উল্লেখ করে বলেন, বর্তমানে আমাদের অন্যতম সমস্যা হলো বুশেহর প্রদেশের বহু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ও কর্মকাণ্ড সম্পর্কে পর্যাপ্ত ঐতিহাসিক দলিল না থাকা।

বুশেহর প্রদেশের সর্বোচ্চ নেতার প্রতিনিধি জোর দিয়ে বলেন, ইসলামী প্রচার সমন্বয় পরিষদ এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠান যে কর্মসূচি আয়োজন করে, সেগুলো ছবি, ভিডিও, লিখিত প্রতিবেদন ও সঠিক তথ্যের মাধ্যমে দলিলবদ্ধ করা উচিত, যাতে বহু বছর পরও এগুলো ব্যবহার করা যায়।

তিনি বলেন, ইসলামী বিপ্লবের বিজয়ের শুরু থেকেই যদি কর্মসূচি ও ঘটনাগুলো সঠিকভাবে দলিলবদ্ধ করা হতো, তাহলে আজ আমাদের হাতে মূল্যবান ও পূর্ণাঙ্গ বহু উৎস থাকত। তাই বর্তমান সময়ের ঘটনাবলি ও প্রচেষ্টাগুলোও যেন কোনো দলিল ছাড়া থেকে না যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

বুশেহর প্রদেশের ঐতিহাসিক পটভূমির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রদেশের ইতিহাসের একটি অংশের যথেষ্ট দলিল রয়েছে। কিন্তু বহু সময়কাল ও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত নথি ও ছবি নেই। তাই এখন থেকেই প্রদেশের সমকালীন ইতিহাস সংরক্ষণের উদ্যোগ নিতে হবে।

বিপ্লবের পরবর্তী বছরগুলোতে প্রদেশে ঘটে যাওয়া কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার কথা উল্লেখ করে হুজ্জাতুল ইসলাম সাফায়ি বুশেহরি বলেন, বুশেহরে ৮ দেই মাসের মিছিল এবং ১৩৮৮ ইরানি সনে (২০০৯ সালে) সংঘটিত ঘটনাবলিতে প্রদেশের জনগণের অংশগ্রহণ এমন বিষয়, যা সুনির্দিষ্টভাবে নথিভুক্ত ও দলিলবদ্ধ করা উচিত।

তিনি ১৩৮৮ সালের ঘটনাবলির সময় ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সমর্থনে প্রদেশের যাযাবর জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করে বলেন, এ ধরনের ঘটনা প্রদেশের ঐতিহাসিক সম্পদ। এগুলো বিস্তারিত তথ্য, ছবি, ভিডিও এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনার মাধ্যমে সংরক্ষণ করা উচিত।

বুশেহর প্রদেশের সর্বোচ্চ নেতার প্রতিনিধি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী কর্মকর্তা ও ব্যক্তিত্বদের সেবা ও অবদান সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে বলেন, প্রদেশের সাংস্কৃতিক ও বিপ্লবী প্রতিষ্ঠান নির্মাণ ও উন্নয়নে যারা পরিশ্রম করেছেন, তাঁদের প্রচেষ্টা ও সেবাকে ভুলে যাওয়া উচিত নয়। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এসব অবদান নথিভুক্ত ও সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।

হুজ্জাতুল ইসলাম সাফায়ি বুশেহরি জোর দিয়ে বলেন, আজকের দলিলীকরণই আগামী দিনের ঐতিহ্য। গুরুত্বপূর্ণ বার্ষিক কর্মসূচিগুলোর জন্য শক্তিশালী প্রতিবেদন, ছবি, ভিডিও ও প্রামাণ্যচিত্র তৈরি করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে জানা যায় কী কী কাজ হয়েছে এবং ইসলামী বিপ্লবের মূল্যবোধ রক্ষায় কারা ভূমিকা রেখেছেন।

তিনি বুশেহর প্রদেশের ইসলামী প্রচার সমন্বয় পরিষদ, এর কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ধন্যবাদ জানান এবং জাতীয় ও বিপ্লবী কর্মসূচি আয়োজনে তাঁদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করে এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর জোর দেন।

Tags

আপনার কমেন্ট

You are replying to: .
captcha